1. digitalchokh@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক
  2. shawnalimranhussain@gmail.com : শাওন আল-ইমরান হোসাইন :
স্বাস্থ্যখাতের দশ ঠিকাদারের পকেটে দুই হাজার কোটি টাকা | digitalchokh.com
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
 
           

স্বাস্থ্যখাতের দশ ঠিকাদারের পকেটে দুই হাজার কোটি টাকা

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
  • ২০৪ ভিউ

অনলাইন ডেস্ক,
পাঁচ বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে স্বাস্থ্যখাতের দশ ঠিকাদার। বাজার মূল্যের চেয়ে মেডিক্যাল যন্ত্রপাতির দাম কয়েকগুণ বেশি দেখিয়েই সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তারা।

২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ঘুরেফিরে এসব ঠিকাদারই পেয়েছেন বেশিরভাগ কাজ। দুদকের তদন্ত বলছে, ঠিকাদারদের সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতালের কর্মকর্তাদেরও যোগসাজশ রয়েছে।

বক্ষব্যাধী হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেনের আত্মীয় স্বজনের নামে রয়েছে পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের হাতে থাকা তথ্য বলছে, ঢাকা, ফরিদপুরসহ কয়েকটি সরকারি হাসপাতালে বাজারমুল্যের চেয়ে কয়েকগুন বেশী দামে যন্ত্রাপতি সরবরাহ করে তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো। অতিরিক্ত দাম দেখিয়ে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে প্রায় শত কোটি টাকা। সম্প্রতি ১৪ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানগুলোও কালো তালিকাভূক্ত হয়।

শুধু সাজ্জাদ নয়, দুদকের কালো তালিকায় রয়েছেন এরকম বেশকজন ঠিকাদার। আছেন কালো তালিকার বাইরেরও কিছু ঠিকাদার। যাদের সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ একই।

ঠিকাদার জাহের উদ্দিন সরকারের নিজ নামে এবং আত্মীয় স্বজনের নামে রয়েছে বেঙ্গল সায়েন্টিফিক, মার্কেন্টাইল ট্রেড এবং ইউনিভার্সেল ট্রেড নামের তিনটি প্রতিষ্ঠান।  এসব প্রতিষ্ঠানের নামে অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে জাহের উদ্দিন প্রায় আড়াইশো কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

আর স্বাস্থ্য খাতের সবচেয়ে আলোচিত ঠিকাদার তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী আবজাল হোসেন। নামে-বেনামে তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন প্রায় দুশো কোটি টাকা। স্ত্রীসহ আবজাল এখন বিদেশে পলাতক।

দুদকের পাঁচ বছরের নথি বলছে, শুধু সাজ্জাদ, জাহের কিংবা আবজাল নয়, স্বাস্থ্যখাতে প্রভাবশালী এমন আরো সাতজন ঠিকাদার রয়েছে যারা বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যন্ত্রপাতির অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে হাতিয়েছেন দেড় হাজার কোটি টাকা। সবমিলিয়ে পাঁচ বছরে সরকারের গচ্ছা প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা।

প্রশ্ন-বিস্তর অভিযোগ থাকার পরও কেন ব্যবস্থা নেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর?

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, এই বিষয়ে দুদক তদন্তকারি সংস্থা আর দুদক হলো আমাদেরকে ১৪ টি কালো তালিকাভূক্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছে আমাদের যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো যারা ক্রয় করে তারা যেন এই কালো তালিকাভূক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ক্রয় না করে সে কারনে তাদের কাছে এই তালিকা পাঠানো হয়েছে।

তবে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলছেন, সরকারি অর্থ আত্মসাৎকারী কোনো ঠিকাদারের রক্ষা নেই।

স্বাস্থ্যখাতের আরও কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হতে পারে জানিয়েছেন দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

 

এই সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
© 2018-2021 digitalchokh.com all rights reserved.
Developed By: Greenway I.T. Solutions