যে কোন বিক্রির ক্ষেত্রে ভোক্তাকে ক্যাশম্যামো দিতে হবে বরগুনায়

যে কোন বিক্রির ক্ষেত্রে ভোক্তাকে ক্যাশম্যামো দিতে হবে বরগুনায়
আগামী ৭ কার্যদিবস (৭ দিন) বরগুনায় ক্যাশ মেমোতে বিক্রি করতে হবে মাছ ও মাংস। । পাইকার থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসায়ী পর্যন্ত সকলের কাছে মাছ মাংস বিক্রি করতে হলে দিতে হবে ক্যাশ মেমো। এজন্য সময় বেঁধে দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরগুনার সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস। শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার মনিটরিং অভিযান পরিচালনাকালে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী মূল্য তালিকা না থাকায় মেসার্স রাইসা পোল্ট্রি হাউসকে দুই হাজার টাকা, অতিরিক্ত মূল্যে ডিম বিক্রি করায় মেসার্স দোলা পোল্ট্রি স্টোরকে ৪০ ধারা অনুযায়ী তিন হাজার টাকা, বিদেশি পণ্য বিক্রি করা ও আমদানিকারকের ইস্টিকার না থাকায় ৩৭ ধারা অনুযায়ী সাফওয়ান স্টোরকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় তার সাথে অভিযানে সহযোগিতা করেন, পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইব্রাহীম খলিল, পুলিশের এএসআই সায়ইফ উদ্দিন।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে মর্মে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরগুনা সহকারী পরিচালক বিপুল বিশ্বাস একথা বলেন । একই সাথে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। এ সময় সকল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে সাধারণ ক্রেতাদের না ঠকানোর কড়া নির্দেশ দেন ভোক্তা অধিকারের এই কর্মকর্তা।